সব সংবাদ
আন্তর্জাতিক

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৫-১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হতে পারে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। এসব দলিলের মধ্যে রয়েছে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা ও একটি প্রটোকল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। শনিবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র সচিব জানান, সম্ভাব্য দলিলগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা (অ্যাকশন প্ল্যান) ও একটি প্রটোকল। এছাড়া সফরকালে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদলের আকার তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়া সফরে ২৭ জন এবং চীন সফরে ২৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল থাকবে। আসাদ আলম সিয়াম বলেন, তারা প্রতিনিধিদলের আকার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছেন।

আগামীকাল (রোববার) থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর শুরু হতে যাচ্ছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী রোববার বিকেলে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখান থেকে সোমবার বিকেলে তিনি চীনের উদ্দেশে রওনা হবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলের প্রিমিয়ার লি চিয়াংয়ের আমন্ত্রণে তিনি চীন সফর করবেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর।

চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম বার্ষিক নিউ চ্যাম্পিয়নস সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম ২০২৬) অংশ নেবেন। চীনের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় লিয়াওনিং প্রদেশের বন্দরনগরী দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন এ ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে। ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০ এর বেশি অংশগ্রহণকারী এ সম্মেলনে যোগ দেবেন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে 'ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল' বা 'বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন'।

সফরসূচি অনুযায়ী, ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এছাড়া ২৬ জুন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সফর শেষে আগামী শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

এই সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।